খৌদিয়া দিওপ- বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছেন কালো ত্বকের যে নারী মডেল

 

সেনেগালিজ তরুণী খৌদিয়া দিওপ; অবিশ্বাস্য রকমের কালো চামড়ার অধিকারিণী এই সুন্দরী মডেল সম্প্রতি আলোড়ন তুলেছেন বিশ্ব মিডিয়ায়। নিজেকে তিনি “মেলানিন দেবী” বলে দাবী করে উঠে এসেছেন আলোচনায়।

সেনেগালিজ তরুণী খৌদিয়া দিওপ; অবিশ্বাস্য রকমের কালো চামড়ার অধিকারিণী এই সুন্দরী মডেল সম্প্রতি আলোড়ন তুলেছেন বিশ্ব মিডিয়ায়। নিজেকে তিনি “মেলানিন দেবী” বলে দাবী করে উঠে এসেছেন আলোচনায়। শুধু তাই নয়, মোহনীয় রূপ ও নিজের গায়ের রঙ নিয়ে তার আত্মবিশ্বাসী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে মন কেড়েছেন হাজারো পুরুষের। ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করা তার ছবিগুলোর মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন এই মডেল।

প্যারিস ও নিউ ইয়র্কে মডেলিং করা এই সেনেগালিজ তরুণীর ইউনিক রাতের অন্ধকারের ন্যায় গাত্রবর্ণ কালো চামড়ার মানুষদের দিয়েছে একটি বিশেষ উপলক্ষ্য। তিনি ইতিমধ্যেই বহু নারীর রোল মডেলে পরিণত হয়েছেন।

 

কালো চামড়ার নারীদেরকে নিয়ে করা একটি ক্যাম্পেইনে তাকে উপস্থাপন করা হয় যার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের এই বিশ্বাস ভাঙ্গিয়ে দেয়া যে সাদা চামড়ার নারীরা সর্বদাই কালো চামড়ার নারীদের চেয়ে অধিক সুন্দর। এই প্রজেক্টে বিভিন্ন বর্ণের নারীদের একই ফ্রেমে আবদ্ধ করা হয় যেখানে খৌদিয়াও অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং অন্যান্য নারীদের চেয়ে সুন্দর ও কালো চামড়া নিয়ে সগর্বে দাঁড়িয়েছিলেন। ছবি তোলার উদ্দেশ্যে খৌদিয়া কোন রকম মেকাপ করতে অস্বীকার করেন।

 

যখন সৌন্দর্যের সংজ্ঞা হিসেবে ফর্সা ত্বকের বিকল্প নেই ধরে নিয়ে লক্ষ লক্ষ আফ্রিকান নারীদের মধ্যে কালো ত্বক সাদা করা একটি দৈনন্দিন চর্চা হিসেবে দাঁড়িয়ে গিয়েছে তখনই খৌদিয়ার আত্মবিশ্বাসী মনোভাব ও চারকোল বর্ণের ত্বক নিয়ে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

খৌদিয়াকে তার কৈশর ও যৌবনে এই কালো ত্বক নিয়ে অনেকেই কটূবাক্য শুনাতে ছাড়েননি কিন্তু তাই বলে হাল ছেড়ে দেননি সুন্দরী এই মডেল।

 

অনেকেই তাকে খোঁচা দেয়ার উদ্দেশ্যে অনেক কটূনামের ডাকতেন যাতে তিনি খারাপবোধ করতেন কিন্তু তিনি এসব পাত্তা তো দিতেনই না বরং তার এই মেলানিন সমৃদ্ধ ত্বক নিয়েই সবচেয়ে সফল মডেলদের তালিকায় নাম লেখালেন।

 

ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় খৌদিয়ার উপস্থিতি গাত্রবর্ণ নিয়ে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে এবং মানুষকে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা নতুন করে শিখাচ্ছে।

 

সূত্রঃ ইন্টারনেট ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *