মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বলে কঙ্গনা যে ‘গুরমিত চড্ডা’র রেফারেন্স দিয়েছিলেন, তিনি আসলে গুরপ্রীত।
সিমরনের প্রচারে ব্যস্ত কঙ্গনা রানাউত।

মুম্বই রিজিওনাল মহিলা কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারি গুরপ্রীত কৌর চড্ডা নোটিস পাঠাতে পারেন কঙ্গনা রানাউতকে। কারণ, নায়িকার দায়িত্বজ্ঞানহীন সাক্ষাৎকার।

মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বলে কঙ্গনা যে ‘গুরমিত চড্ডা’র রেফারেন্স দিয়েছিলেন, তিনি আসলে গুরপ্রীত। তিনিই এখন আইনি নোটিস পাঠানোর কথা ভাবছেন কঙ্গনাকে। ‘‘অন্তত আমার নামটা ঠিক করে বলতে পারতেন কঙ্গনা! আর হৃতিক-কঙ্গনার লড়াইয়ের মাঝে বিশ্রীভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে। এর জন্য কঙ্গনাকে নোটিস পাঠানোর কথা ভাবছি আমি,’’ বলেছেন গুরপ্রীত। কঙ্গনার বক্তব্য ছিল, মহিলা কমিশনের তরফে তাঁর অভিযোগ নিতে চাওয়া হয়নি কারণ গুরপ্রীত নাকি রোশনদের ঘনিষ্ঠ। এদিকে গুরপ্রীতের বক্তব্য, তিনি কঙ্গনা এবং তাঁর বোন রঙ্গোলিকে বলেছিলেন, পুরো ব্যাপারটা নিয়ে অফিশিয়ালি এগোতে। অন্যদিকে, রাকেশ রোশন গুরপ্রীতকে বলেন, কঙ্গনা ক্ষমা চাইলে তবেই তাঁরা ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে রাজি। এর পরেই গুরপ্রীতের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন রঙ্গোলি। কঙ্গনা রানাউতের সাক্ষাৎকারে হৃতিক রোশনের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার নিয়ে তুমুল হইচইয়ের মাঝে ফারহা খান, সোনা মহাপাত্রের মতো অনেকেই কঙ্গনার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ফারহা বলেছেন, মহিলা হওয়ার সুযোগ নিয়ে কঙ্গনা বারংবার যে আচরণ করছেন, তা নিন্দনীয়। ‘‘ভাবুন, এই কথাগুলো কোনও পুরুষ কোনও মহিলার বিরুদ্ধে বললে তাঁর কী দশা হতো এতদিনে!’’ বলেছেন ফারহা। আবার গায়িকা সোনা মহাপাত্র কঙ্গনার বিরুদ্ধে মুখ খোলায়, তাঁকে নারীজাতির কলঙ্ক বলে অপমান করেছেন রঙ্গোলি। সব মিলিয়ে তরজা তুঙ্গে। এর মধ্যে হৃতিকই বুদ্ধি করে চুপচাপ রয়েছেন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *